Monday , December 16 2019
Home / bangladesh / ৯ বছরেও শফিউলের আক্ষেপ

৯ বছরেও শফিউলের আক্ষেপ



২০১০-এ তিন ফরম্যাটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হয় পেসার শফিউল ইসলামের। শুরুটা দারুণ ছিল তার। টানা ৩ বছর দলে থেকেছেন। সেই সময়ে সেরা পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজার পিছনে ছুটছিলেন। কিন্তু এরপর শুরু হয় তার দলে আসা যাওয়া। ২০১৬ থেকে টানা তিন বছর দলেই ছিলেন না। অবশেষে চলতি বছর শ্রীলঙ্কা সফরে দলে জায়গা পান শফিউল। ৩ ম্যাচে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে প্রমাণ এখনো তিনি ফুরিয়ে যাননি। এখন পর্যন্ত ওয়ানডে ক্রিকেটে ৫৯ ম্যাচে ৬৯ শিকার শফিউলের। তার এই অর্জনে এখনো তিনি দেশের পেস উইকেট শিকারের তালিকাতে চতুর্থ স্থানে। অনেক পরে এসেও ১০৭ উইকেট নিয়ে তার আছেন মোস্তাফিজুর রহমান। হোসেন স্থানে রুবেল হোসেন, আর শীর্ষে মাশরফি। যেভাবে শুরু করেছিলেন মাশরাফির পরেই জায়গা করে নিতে পারতেন। হয়তো ৯ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারে শফিউলের কম নয়। যদিও তিনি এ জন্য ভাগ্যকেই দোষ দেন। গতকাল অনুশীনের ফাঁকে সংবাদমাধ্যমকে শফিউল ইসলাম বলেন, '৯ বছর আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি। নিজের দিক থেকে আমি খুশি না। যখন জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছি প্রথমবার, তারপর তিন বছর নিয়মিত খেলতাম খেলতাম মাঝখানে হয়তো খেলতে পারিনি। ইনজুরি বা অন্যান্য কারণে। এখনও ক্যারিয়ার শেষ হয়নি। যদি সুযোগ পাই, যেটুকু সুযোগ পাই একটা লক্ষ্য দাঁড় করাতে পারবো। '
কেন শফিউল হঠাৎ করেই হারিয়ে গেলেন! দায়টা কার? এমন প্রশ্নের জবাবে বগুড়ার এই পেসার নিজের দোষ দেন। তিনি বলেন, 'আমার নিজের ম্যানেজমেন্টে সমস্যা না। আসলে দুর্ভাগ্য বলবো। কারণে হয়েছে কোনো কারণে, আল্লাহ্‌ যা লিখে রেখেছেন সেটাই হয়েছে। আমি আমার কাজ সবসময় করার চেষ্টা করেছি। যাই জাতীয় দলে ফিরে যাই, নিজের সেরাটা দেয়ার জন্য চেষ্টা করি। হয়তোবা ডাক পাওয়ার পর ইনজুরিতে পড়েছি, এটাকে দুর্ভাগ্যই বলবো। আসলে এটা নিয়ে বলার কিছু নেই আবারও আবারও দলে আশা আশা, আশা করছেন সামনেও পারবেন পারবেন। বলেন নিজের লক্ষ্য নিয়ে বলেন, 'ভালো জায়গায় বল করলে যেকোনো জায়গায় সফল হওয়া সম্ভব। বিশ্বের সব বোলাররাই এভাবে সফল হয়েছে। জায়গাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের কোচ এগুলো নিয়ে কাজ করছেন। পাই যে রকমই হোক আমি যদি সুযোগ আমি, আমি চাইবো যে উইকেটের সাহায্য থাকুক। এটা হলে নিজের কাছেই ভালো লাগবে। উইকেটের আচরণ এবং কন্ডিশন অনুযায়ী বল করার চেষ্টা করবো '
২১৫ ওয়ানডে ম্যাচে ২৬৫ উইকেট নিয়ে এখনো মধ্যে শীর্ষে আছেন মাশরাফি। কেন তার মতো হতে পারলো না অন্য পেসাররা! এ নিয়ে শফিউল বলেন, 'মাশরাফি ভাই অনেক অভিজ্ঞ। তার মতো পেসার বের হচ্ছে না। করছে চেষ্টা করছে, সবাই তো একরকম হয় না। ইনশাল্লাহ এরকম আরও পেস বোলার বের হবে করি। 'দেশে নতুন পেস বোলিং কোচ এসেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার শার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট দায়িত্ব নিয়েছেন পেসারদের। তার অধীনে শফিউলরা কাজও শুরু করেছেন। তাই প্রশ্ন এসেছে বিদায়ী কোচ কোর্টনি ওয়ালশের সঙ্গে কোচের কোচের কী পার্থক্য? যদিও এক সপ্তাহে কারো পক্ষেই বলা সম্ভব এই পার্থক্য। শফিউলও জানালেন তাই। তিনি বলেন, 'ল্যাঙ্গেভেল্টের সঙ্গে এখনো ওইভাবে কাজ হয়নি তিন, তিন-চারদিন।। সে মেইন ফোকাস করছে কন্টিনিউ এক জায়গায় বল করতে। যেন এলোমেলো বোলিং না হয়। ব্যাটসম্যান যেন কষ্ট করে রান করে। '

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত


Source link